Bangla Typography Design: হাম্বা। কোরবানী ঈদে গরু নিয়ে আমার অনুভূতি

নতুন আরেকটি বাংলা টাইপোগ্রাফি ‘হাম্বা’ নিয়ে হাজির হলাম। আজকে কোরবানির ঈদে গরু নিয়ে আমার অনুভূতি ব্যক্ত করব। পাশা-পাশি সামান্য বিনোদন দেওয়ার চেষ্টা করব। এ উদ্দেশ্যেই টাইপোগ্রাফিটি ডিজাইন করা। আর্টিকেলটি ঈদের আগের প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। কোনো এক কারণবশত আর্টিকেলটি প্রকাশিত হয়নি। তাই, অসময়ে আর্টিকেলটি প্রকাশিত করা হচ্ছে।

See the best bangla typgraphy design in 2021. কোরবানী ঈদে গরু নিয়ে আমার অনুভূতি।

     ডিজাইন: হাম্বা
     ধরন: বাংলা টাইপোগ্রাফি
     ডিজাইনার: মুস্তফা সাঈদ মুস্তাক্বীম

 চারদিকে খালি ভাই গরু আর গরু। মাঠে গরু, হাটে গরু, সব জায়গায় গরু। রাস্তায় গরু, বাড়ির পেছনে গরু, সামনে গরু, আমার বাড়িতে গরু, তার বাড়িতে গরু, পাশের বাড়িতে গরু। খালি গরু আর গরু। মানুষ প্রেমে পাগল হয়। আর ঈদের আগ মুহূর্তে আমরা গরুতে পাগল হই। মাঝে মাঝে মাথায় কাজ করে না। বাড়িতে থাকি নাকি গরুর গোয়ালে। ঈদ আসলে চারদিকে একটাই গুঞ্জন শুনা যায়: গরু না খাসি? খাসি না গরু? এলাকার এক চাচাকে জিজ্ঞেস করলাম: চাচা! কয়টা বাজে। চাচা বলল: ৮০ হাজার!

এদিকে এক ব্যাপারীর কাছে গরুর দাম জিজ্ঞেস করেছি।
 বলল: সাড়ে চার লক্ষ টাকা। 
 আমি বললাম: থামো! আমি শুধু গরু কিনতে আসছি। গরুর সাথে তোমাকে কিনতে আসি নাই। শুধু মাত্র গরুর দাম বল। 

এদিকে আরেক মুসিবত! গরুর কেনার পর গরুর দেখভালের সকল দায়-দায়িত্ব আমার ওপরে। গরুকে ভুসি দেও। ঘাস দেও। গোসল করাও। মনে হয়, আমি আর বাড়ির ছেলে নই। এখন রাখাল ছেলে হয়ে গেছি। এখন গরুর সাথে থাকতে থাকবে এমন অবস্থা হয়েছে যে, গরুর ভাষা পর্যন্ত বুঝতে পারি। হাইল্যা মাতবরের কথা নাই বললাম। এরা হুদাই খালি প্যাঁচ লাগাবে। হাটে, ঘাটে, রণে, জঙ্গলে, যেখানেই যাবেন। এদের উপস্থিতি টের পাবেন। এদের এমন একটা ভাব, যেন উনি বিশিষ্ট গরু বিশেষজ্ঞ। উনার থেকে যেনে গরু কেনা লাগবে।

এ সকল কাহিনী ঈদের আগ পর্যন্ত চলতে থাকে। এর পর আসে ঈদ। ঈদের আগ পর্যন্ত রাখালের দ্বায়িত্বে থাকা ছেলে ঈদের দিন হয়ে যায় কসাই। ঈদের দিন আনন্দ করবে। শান্তিতে ঘুরে-ফিরে বেড়াতে। সে সুযোগ আর হয়ে উঠে না। মনে হয়, শান্তির মা নিজ দ্বায়িতে্ব আত্মহত্যা করেছে। সারা দিন কসাইয়ের ভূমিকা পালনের পর  সন্ধায় ডেলেভারি বয় হয়ে বাসায় বাসায় গোশত পৌছাতে হয়। একবার বন্ধুর বাসায় গোশত দিতে গেলাম। কর্লিণ বেলে চাপ দিতেই ভেতর থেকে বন্ধুর বলল: “আজকের মত গোশত দেওয়া শেষ। আগামী কাল আসবেন।” আগে, রাখাল, কসাই, ডেলেভারি বয় ছিলাম। সেটাই ভালো ছিল। এবার তো সরাসরি ভিক্ষুক বানিয়ে দিল। যাই হোক, কিছু না বলেই সেখান থেকে চলে এলাম।

Post a Comment

Thank you for your valuable feedback. We will review your feedback soon.

Previous Post Next Post